চোখের তারায় আয়না ধরো

আমার কৈশোরে এমি ওয়াইনহাউসেকে দেখেই প্রথম জেনেছিলাম winged eyeliner বা ডানাওয়ালা আইলাইনার আসলে কি বস্তু; অবশ্য সত্তর আশির দশকের নায়িকারাও এভাবেই তাদের আঁখিপাতাকে সাজাত। আমি যে সময়টায় পনেরো-ষোলো তখন সবাই ওই আইলাইনারই লাগত, কখনও বা ইচ্ছে হলে একটু মাস্কারা, এর বেশি কিছু পরার চল ছিলনা, অন্তত টিনএজের মেয়েদের মধ্যে। এখন যখন দেখি সব বাচ্চা মেয়েরা কি নিরুপদ্রবে আইভ্রু পর্যন্ত এঁকে নিচ্ছে আইভ্রু লাইনার দিয়ে , তখন হিংসে তো হয়ই।

আমি তখন সবে মাত্র ষোলো। আইলাইনার, কাজল, মাস্কারা কিছুই ব্যবহার করি না, শুধু কোনো নিমন্ত্রণ থাকলে একটু আইলাইনার লাগাতাম। এসবের মধ্যেই হঠাৎ গোল বাঁধল একটা ষ্টার-স্ট্যাম্প আইলাইনারকে কেন্দ্র করে; আমার এক দূরসম্পর্কের আত্মীয়া আমাকে একটি ষ্টার-স্ট্যাম্প আইলাইনার উপহার দিলেন…তখন পর্যন্ত ওই বস্তুটি কি, খায় না মাথায় দেয় আমিতো তাও জানতাম না; কিন্তু উনি ব্যবহার করা শিখিয়ে দিয়েছিলেন। যেভাবে আমরা সাদা কাগজে স্ট্যাম্প মারি কালি দিয়ে , ঠিক তেমনি! এখানে স্ট্যাম্প হল ওই সরু আইলাইনারের মুখে লাগান একটা ছোট্ট তারা, আর বোতাম টিপলে ভিতর থেকে কালি আসবে…ব্যাস, এবার চোখের কোণে, গালে, থুতনিতে যেখানে ইচ্ছে ষ্টার স্ট্যাম্প মেরে নিলেই হল। অনেকে কাজল পেন্সিল দিয়ে চোখের পশে উল্কি আঁকে, আর এ হল রেডিমেড উল্কি, অনেক বেশি সূক্ষ্য, নিখুঁত আর শুধু একটি স্ট্যাম্প দিলেই কেল্লাফতে! কি সুন্দর চোখের পলকে ষ্টার ছাপ পড়ে যেত, দেখেই ভাল লাগত।

আমি ঠিক করলাম এটা পরে বন্ধুদের চমকে দিতে হবে, কিন্তু স্কুলে তো আর ওসব পরে যাওয়া সম্ভব নয়! স্কুলে তখন প্রায়ই নখ চেক হত, আর সেখানে আইলাইনার পরে গেলে তো আর রক্ষে নেই। তো আমি বন্ধুদের চমকে দেওয়ার জন্য দুর্গাপুজোর সপ্তমী বাছলাম। ঠিক হল ঐদিন বন্ধুরা মিলে ঠাকুর দেখব। কাউকে ঘুণাক্ষরেও আমার এই আইলাইনারের কথা বললাম না, স্কুলে যথারীতি পুজোর ছুটি পড়ে গেল আর আমি অপেক্ষায় থাকলাম কবে ওই ডানাওয়ালা আইলাইনার আঁকব, ষ্টার-স্ট্যাম্প আইলাইনার দিয়ে নিজেকে সাজাব আর আমার বন্ধুরা আমাকে দেখে চমকে যাবে। মেয়েরা কি আর শুধু ছেলেদের জন্য সাজে, মেয়েরা তো সাজে অন্য মেয়েদের দেখাবে বলে !  

যাই হোক,সপ্তমীর দিন খুব ভাল করে সাজলাম, অঙ্গে পিওর সিল্ক, কানে ঝুমকো, আঁখিপল্লবে আইলাইনার আর অতি অবশ্যই ষ্টার-স্ট্যাম্প আইলাইনার অর্থাৎ চোখের পাশে ছোট্ট ছোট্ট তারা। আমি গিয়ে পৌঁছলাম সবার আগে, মণ্ডপে বসে আছি, দেখি মৌমিতা আসছে । ও জামদানি পরেছে আর খোঁপায় গোলাপ; হঠাৎ দেখি ওর চোখের কোণে কি যেন….একি!!! ওর চোখের কোণে দেখি ছোট্ট বাঁকা চাঁদ…ক্রিসেন্ট মুন স্টাইলে অর্ধচন্দ্র আঁকা ওর থুতনিতেও।

আমাকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতে দেখে ও বললো, “দেখ দেখ, এ হল এখনকার নতুন স্টাইল স্টেটমেন্ট; মুন-স্ট্যাম্প আইলাইনার দিয়ে এঁকেছি এগুলো !!”

আমি যেন থতমত ভাবটা তখনও কাটিয়ে উঠতে পারিনি, আচ্ছা আমার তো সবাইকে চমকে দেওয়ার কথা ছিল, আমি কেন চমকে যাচ্ছি ! হালকা হেসে বলি, “তুই মনে হয় আমার দিকে ভাল করে তাকাসনি এখনও”।

আমার কথা শুনে ও তাকায় আমার দিকে, এবার বেশ অনেকক্ষণ ধরে…আমি মুচকি হাসি।

“স্ট্যাম্প আইলাইনার বুঝি তুই একাই কিনতে পারিস, এই দেখ আমার ব্র্যান্ড নিউ ষ্টার-স্ট্যাম্প আইলাইনার…এবার কি বলবি?”

“কিন্তু….”

মিষ্টি হেসে ওকে বলি, “তোর কাছে যা থাকতে পারে, তা তো অন্য কারো কাছেও থাকতে পারে, তাই না? অত ভেঙে পড়ার কিছু হয়নি।”

“দেখ দেখি বাকিদের তো এখনো পাত্তা নেই।” বলে ওঠে মৌমিতা। বুঝি প্রসঙ্গ ঘোরাতে চাইছে ও; আমি মনে মনে হাসি…আমি ওর থেকেও বেশি ঘেঁটে গেছি কিন্তু বাইরে স্বাভাবিক থাকি নয়তো আইলাইনার ঘেঁটে যাবে যে !    

ধীরে ধীরে আমাদের দিকে এগিয়ে আসে সৌমি, ঐশী, স্মিতাক্ষীরা।

“এতক্ষনে তোদের আসার সময় হল?”

“কি করব…সাজতে সাজতে দেরি হয়ে গেল।” খুব ঘাড় বেঁকিয়ে বলল ঐশী।

দেখি ঐশীও খুব মাঞ্জা দিয়ে সেজেছে, একটা সাদা শার্ট আর রঙিন জয়পুরি ধাঁচের ঘাগরা, তাতে আবার কাঁচের কাজ!

পাশ থেকে মৌমিতা ফিসফিসিয়ে বলে ওঠে, “ঐশীকে দেখ, গলায় কিসব গুজরাটি ট্যাটু, থুতনিতে সূর্য।”

“ওরে মৌমিতা ফিসফিসিয়ে কি বলছিস…দেখ দেখ, এসব সব স্ট্যাম্প আইলাইনারের কামাল! আমার থুতনিতে যে ছোট্ট সূর্যটা দেখছিস ওটা সান-স্ট্যাম্প আইলাইনার দিয়ে করেছি…আর গলায় যে একসারি ছোট ছোট ষ্টার দেখছিস ওটা ষ্টার-স্ট্যাম্প আইলাইনারের কাজ; একটা করে জাস্ট স্ট্যাম্প মেরেছি; আগে দেখেছিস কখনও?” ঐশী এমন ফর্মে কথাগুল ছুঁড়লো যেন ও মেরিলিন মনরো আর আমরা আতিপাতি। আমার খুব রাগ হল। ভাবছি ওকে গাড্ডায় ফেলি কি করে, দেখি আমার আগে সৌমিই সেই কাজটা করে দিল।
“আচ্ছা ঐশী, আমি তো দেখছি তুই একা নয়, জেনি আর মৌমিও তো স্ট্যাম্প আইলাইনার পরেছে!” সৌমি বলে ওঠে। আমরা দু’জন আত্মবিশ্বাসে ভোর করে ওর সামনে গিয়ে দাঁড়াই, “দেখো হিরোইন, আমরাও স্ট্যাম্প আইলাইনার লাগিয়েছি…কোনো বক্তব্য আছে?”

এবার কেঁদে ফেলার জোগাড় ঐশীর ! ওর কান্ড দেখে আমরা সবাই হো হো করে হেসে উঠি।
“আরে কাঁদিস না, কাঁদিস না, আইলাইনার সব ঘেঁটে ঘ হয়ে যাবে যে…” অনেক কষ্টে যখন আমরা ওকে শান্ত করলাম, তখন আর ঠাকুর দেখতে যাওয়ার সময় হাতে নেই; বৃষ্টি এসে গেছে প্রচন্ড জোরে ! অগত্যা, মণ্ডপেই গল্প জুড়লাম আমরা !!

আজ যখন ষ্টার-সান-মুন-হার্ট-বো-কিউপিড-অ্যারো আরও কতধরনের স্ট্যাম্প দেখি, সেসব দিনের কথা খুব মনে পড়ে।সেদিনের কথা আজ মনে পড়লে আমি খিলখিলিয়ে হেসে উঠি। সত্যি এই জন্যই বোধহয় লোকে বলে, “বাপেরও বাপ্ আছে”।।

©জয়ী

কোনএক একাকিনীর কথা

আমি তো আজ বেলফুলের মালা গাঁথি,

সেই মালায় সাজাই বেণী,

সেই সুবাসে করি নিজেকে উজাড়;

কখনও বা একমুঠো রঙ্গনফুল তুলে আনি

ছড়িয়ে দিই বিছানায়

একমুঠো শিউলি পেলে রেখে দিই বাটিতে

সুগন্ধে ভরে ওঠে জীবন;

আজও খোঁপা সাজাই স্বর্ণচাঁপায়, কখনও বা সূর্যমুখী,

আসবে না জানি…তবু,

তোমার চোখে নিজেকে দেখতে ভাল লাগে, খুউউব…

দোরের মুখে করতে বসি গাঁদার রঙ্গোলি,

কোনও অতিথি আসবে না জানি,

তবু কেউ আসবে ভাবতে ভালবাসি,

আসলে এসব কিছু করে নিজেকে খুঁজে পাই।

হয়তো ছিঁড়ে ফেলব বলেই লিখে ফেলি তোমাকে চিঠি,

সেই চিঠির প্রতি ছত্রে লিখি তোমার নাম,

হয়তো বা বৈষ্ণব পদাবলীর উপমা…

কেউ পড়বে না জানি, তবুও লিখতে ইচ্ছে হয় খুব,

কৈশোরপ্রেমের কথা,

উল্কাবৃষ্টির কথা,

আমার প্রথম সোনারদুল হারানো,

ঠাকুরমার দেওয়া কানবালা,

পুরীর মন্দিরের লাস্যময়ী পূজারিণী,

বিষ্ণুর দশাবতারের কথা,

অস্সিঘাটের উদাসী বাউলের কথা,

বাড়ির পুরনো তানপুরার কথা,

কোনএক সুপুরুষ শিবভক্তের কথা…

আমার বলতেও ইচ্ছে করে খুব,

যদিও শোনার কেউ নেই,

তবু দেয়ালেরও কান আছে,

এই প্রবাদ মেনে নিয়ে,

ইচ্ছে হয় বলে চলি অনর্গল

আমার প্রথম সর্ষে ইলিশ রাঁধা,

মায়ের বানানো চিতলের মুইঠ্যা,

আমার প্রথম কাজল পরা,

কোনএক সাদা পাঞ্জাবির জন্য অপেক্ষা

তার জন্য কবিতা দেখা,

এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলা “ভারততীর্থ”

প্রতিমার থেকেও মণ্ডপসজ্জা দেখে বেশি উৎফুল্ল হওয়া

দোলের দিনের উদ্দাম নৃত্য…

আমার দেখাতেও ইচ্ছে করে খুউউব,

আমি যা দেখি তাই,

যা দেখে আমি উদ্বেলিত হয়ে উঠি,

বাবুঘাটের সূর্যাস্ত,

পরেশনাথ মন্দিরের কারুকার্য,

ভিক্টরিয়ার উদাসীন পরী,

শোভাবাজার রাজবাড়ি…

ইমামবাড়ার সূর্যঘড়ি

ইচ্ছেকরেই নেড়েচেড়ে দেখি,

আমার বানানো গালিচা,

দেওয়ালে ঝোলানো ছবি,

নখের নকশায় আঁকা আজটেক চিত্রকলা   

তবুও দিনের শেষে একাকী থেকে যাই,

আর কিছু হই বা না হই, নিজকাব্যের নায়িকা হই !!

Everyone pretends to be happy

Everyone pretends to be happy

Everyone says ‘I’m fine’

Everyone shows he/she is happy with job, salary, fiancé

Everyone says he/she is in the same page with lovers, friends, family

Everyone gives effort to be beautiful

Everyone spends time and money to be fair

Everyone keeps the smile curve on face

Sadly,

No one is happy with his/her life

No one is watching the sunny sky

No one is okay with parents or lovers

Everyone is complaining about his/her life

Everyone is broken, sad, sceptic

No one is trying to break the false façade

No one is showing the real self

No one is confiding

No one can go with the idea of being poor

No one can tolerate the idea of being obsolete or oddball

This is the society we live in. we always perform like actors. We forget to be the real one.

 

A lot can happen over a plate of momo

They say, “A lot can happen over a cup of coffee”. I say, “A lot can happen over a plate of momo.” It is a story of a plate of hot piping momos and how it had become one of the good vibes of my life. My city was truly busy enjoying the sudden 9°C temperature; the crazy north winds shivered my bones, a multicolored muffler protected me from cold, a glass of hot ginger tea from a roadside tea stall gave me some comfort, the swarming crowd near Esplanade metro made me realize the presence of strenuous Monday and then, adventitiously you appeared before me when I just ordered a plate of chicken momo. God knows, why you had to come on the same stall to have the momos.

You are not my parallel, not my almost, not my ex, but something I can’t name. You looked at me whenever you got slightest opportunity, I even caught you smiling when I passed by on office corridor. Sadly, you never made any move to talk to me; probably you were happy just seeing me there just like people enjoy an elegant piece of art in a museum. I was stupid enough to believe, you were in love, in love with me; but I was so wrong.

“Hello Jinny” your sudden voice made me look at you; you are in a brownish yellow jacket and black jeans. You were looking really handsome.
“Hi” I responded slowly.
“How are you?”
This time I had to smile, “Like you care!” I felt some spots of guilt in your face as you looked at the billboards to avoid my intense gaze. A few minutes had passed without any words from any side. I patiently waited for the momos to come. I was astounded to realize we just talked for the first time.
“I do care…and stupid enough to realize things very late.”
I had to laugh at his words; a man calling himself stupid is a nice thing to watch.
“Thank God, you realized…sooner or later!” I sighed throwing my words; he too sighed. I saw a strange kind of pain in his eyes but soon he turned it into an awkward smile. Then, a comfortable silence clinged us into a nameless thread. Perhaps, time stood still for a while and we too. I didn’t feel uneasy; he didn’t feel any urge to look away. I didn’t notice when we both started having the mouth watering chicken momos.
“The momos are really delicious, aren’t they?” he said to break the silence. I just nodded. I didn’t know what to say. I didn’t want him know my helplessness, my loneliness. Probably he was eager to say ‘you look beautiful’, or ‘remember me’ or ‘let’s exchange the numbers’; I was eager to say, ‘let’s stay in touch’ or ‘let’s go for a walk’. Sadly, we ended up saying “goodbye”. We moved away without exchanging phone numbers, without looking back, with a constant effort to behave like a normal person. And once again head won over heart.

©Joyee

Text

Went to Venice
wore the Venetian masks,
enjoyed gondola ride,
kissed against the bridge railing…

Went to New York
counted the skyscrapers,
walked down Times Square,
dreamt “Maid in Manhattan” kinda love,
cried over Twin Towers…

Went to Paris
enjoyed French opera,
ate macaroons,
kissed under the Eiffel Tower

Went to Amsterdam,
tied love-lock in the bridge,
threw the key in the water

Went to London
enjoyed the vintage charms,
took selfie in front of Big Ben,
loved the city from London Eye,

All of these happened inside our heads over Whatsapp texts.

©Joyee

A thousand years from now

A thousand years from now…

I will only remember how we loved each other

how I forgot about the world on seeing your beautiful face

how we looked at the full moon

how we enjoyed the summer breeze

how we enjoyed a motorcycle ride against the winds, how we were scared to ride on a merry-go-round; how we spread colors in the air

but…I will never remember how we fought daily, how we spent sleepless nights after quarrels

how we cursed each other

how we prayed for separation

how we never stopped each other from walking out

how we tried to destroy everything in our living room
the mementos!!

Love, I will remember you, not the destructive storm you carry inside!!

©Joyee

Life pot

The world is divided into two types of people,

  • One who speaks the truth and the one who believes in oiling
  • One who goes with the flow and one who goes against it
  • One who speaks his mind and one who reads your mind
  • One who is a daydreamer and one who is a night thinker
  • One who thinks, “If this day never stops” and one who thinks, “If this night never ends.”
  • One who is happy-go-lucky and who overthinks.
  • One who uses only shampoo and one who uses shampoo, conditioner and does hair spa.
  • One who is theist and one who is atheist.
  • One who loves sunrise and one who loves sunset.
  • One who loves to dance with others and one sings alone.
  • One who loves a crowded street and one who dances when the street is empty.
  • One who goes to party and one who stays at home.
  • One who understands poems and one who knows no one understands poems.
  • One who actually reads newspaper and one who reads only entertainment or sports page!
  • One who finishes a bad book and one who leaves in halfway.
  • One who makes paper boats and one who makes paper airplanes.
  • One who uses paper chits during exam and one who tries to write honestly.
  • One who sleeps under quilt and one who does everything possible under a quilt.
  • One who makes love at night and one who is lost in impulsive thoughts.
  • One who watches kites and one who stands under aeroplane to make a wish.
  • One who loves red & communism and one who loves everything but red.
  • One who wears yellow, pink, orange and one who wears blue, black, grey.
  • One who loves neon and one who hates it.
  • One who loves green & yellow and one who loves white & sky blue.
  • One who loves old world charms and one who loves skyscrapers
  • One who is an old school and one who is a new school.
  • One watches the beauty of shrines and one who watches the god resides inside.
  • One who thinks in omnipotent god and one who thinks his god is stronger than your god!
  • One who prays before little Jesus and one who prays before Balgopal (Little Krishna).
  • One who follows angel and one who follows devil.
  • One who is relaxed with life and one who is very scared of it.
  • One who forgives people easily and one who keeps anger wrapped in an envelope.
  • One who carries “Che” on left chest, one who carries Mao in red slogan.
  • One who loves a single woman, one who loves every girl possible.
  • One who remembers first love and one who pretends to forget it.
  • One who badly wants to be a bad boy and one who actually becomes one!
  • One who pretends to love his job and one who knows nobody loves his job.
  • One loves Marcedes-benz and one who wants to experience palanquin once.
  • One who is bossy and one who is friendly
  • One who loves daytime and one who enjoys nightlife
  • One who knows about Magdalena and one who knows about Vatican
  • One who makes your life a mess, one who helps you to clear the mess
  • One who hates opposite gender and one who speaks of gender neutrality
  • One who believes in leadership and one who thinks self education still rules
  • One who addresses himself by job designation and one who introduces himself without name, job, & social status
  • One who blames God for everything and one who praises him in hallway still he opens a new door!
  • One who loves to be busy at work and who has finished reading my bullshit.

 

©Joyee