বখাটে ছেলে লালকমলের চিঠি মহাদেবকে

হে শিবশম্ভু,
    আজ কাঁধে কলসীর বাঁক নিয়েছি, টুংটাং ঘণ্টা আর গাঁদা ফুলের মালায় বাঁক সাজিয়েছি। আজ আমার দেওয়া গঙ্গাজলে তুমি তুষ্ট হয়ো। সবাই আমায় যতই মন্দ ছেলে বলুক, দুয়ো দিক, কুৎসা রটাক…তুমি তো জান আমি খারাপ  নই। তুমি তো ভক্তের ভক্ত হে মহাদেব! লোকে বলে আমি নাকি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে তোমার পূজা করি, আমি নাকি মহেশ্বরের চেয়েও গেরুয়া নিশানকে বড় আশ্রয়দাতা মনে করি, আমি নাকি দলে লোক টানতে কাঁওয়ারিয়াদের ভার নিই, জলযাত্রীদের সেবা করি, পুণ্য অর্জন নাকি আমার উদ্দেশ্য নয়, আমার কপালের লালতিলক নাকি আসলে শিবঠাকুরের জন্য নয়, এ আসলে ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ মাত্র।
লোকে আমার জামার গেরুয়া রংটাই দেখে, আমার জীবন সংগ্রামটা কেউ দেখেনা, লোকে দেখে রামনবমীর মিছিলে আমি প্রথম সারিতে, আমার হাতে অস্ত্র, কিন্তু এর পিছনে একটা সুস্থ জীবনলাভের যে কি আকুতি, সেটা কারো চোখে পড়ে না।

গতবছর এমনই এক শ্রাবণ ছিল, আকাশ ছিল ঘনকালো, বৃষ্টিপায়ে হেঁটে চলেছিল হাজার পুণ্যার্থী; হঠাৎই তার সাথে এক পলক আমার চোখাচোখি, তার ক্লান্ত মুখ, কাজলকালো চোখ, লাল চুড়িদার যেন উদ্বেলিত করল আমায়, কথা বলে জানলাম তার নাম লালি; সে বলেছিল এই কমলা কুর্তা, সাদা পাজামা আর কপালের লালতিলকে নাকি খুব সুন্দর দেখায় আমায়; কথাটা কতটা সত্যি জানিনা, কিন্তু আজ ঐভাবেই সাজাই নিজেকে। সে আমাকে শুধুই সাবধান করে আমি যেন অস্ত্র হাতে না তুলি, যেন কোন অপ্রীতিকর কিছু না করে বসি; ওকে যে কিভাবে বোঝাই আমি এক্কেবারে মাটির মানুষ; যেটুকু যা করি ওই দাদাদের কোথায় আর দলে টিকে থাকতে! আর অস্ত্র হাতে তুলছি মানেই এমন নয় যে কাউকে আক্রমণ করব, তা শুধুই আত্মরক্ষার্থে।
সেবার বৃষ্টি নামল, প্রথমে ঝিরঝিরিয়ে, তারপর অঝোরধারায়, আমি তখন কাঁওয়ারিয়াদের পুরি, গুজিয়া, শরবত বিতরণে ব্যস্ত…সেই যে বৃষ্টি নামল, কখন থেমেছিল, আমার আর মনে নেই; হয়তো ঘটনার ঘনঘটা আমায় সেটা মনে রাখতে দেয়নি; একদল মাদ্রাসা ফেরত কচিকাঁচাকে আশ্রয় দিয়েছিলাম আমাদের তাঁবুতে, আর আমার ওপর খেপে উঠেছিল দলের দাদারা। সেবার যখন রুস্তম অসুস্থ হল ওকে রক্ত দিয়েছিল কে? কওসর চাচা অসুস্থ হলে তার পথ্য করে কে? তবুও দিনের শেষে সবাই আঙ্গুল উঁচিয়ে বলে, “লালকমল তো গেরুয়া”। আমার অন্য সব পরিচয় মুছে গিয়ে রাজনৈতিক পরিচয়টাই কেন যে সবার কাছে মুখ্য হয়ে দাঁড়ায় তা আজ বুঝি না; শুধু এটুকু বুঝি মানুষ যখন, কোন একটি ‘তকমা’ তো চাই!

আমি অস্ত্র ধরি, আমি রাহাজানি করি, আবার ভালোও বাসি। অপরাধ করা আমার জীবিকা বটে কিন্তু আমি একেবারে নিরপরাধী। আমার সব অপরাধ তুমি ধুয়ে দিও। আমি উড়োনচন্ডী, বাউণ্ডুলে, আত্মভোলা, আমি কষ্ট ভুলতে গাঁজা টানি। কিন্তু লালিকে ছাড়া আমি বাঁচব না! হরগৌরীর মিলন যেমন চিরন্তন, আমি আর লালি যেন সেভাবেই চিরকাল একসাথে থাকতে পারি! তুমি একটু দেখো।
পুনশ্চ: লালপাঞ্জাবি আর সাদা ধুতিতে আমি তো সেই পাশের বাড়ির ছেলে, যে পাড়ার পুজোর মধ্যমনি, যার মধ্যে আছে হাস্যরস আর অন্যের দুঃখ দেখলে ঝাঁপিয়ে পড়ার মানসিকতা; তার তো আলাদা কোন ধর্ম নেই, ভেদাভেদ নেই…সে যদি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে, তার কি অন্য পরিচয়গুলো মুছে যায়?
ব্যোম্ ভোলে! ভোলেবাবা পার করো !
ইতি,
তোমার বখাটে ছেলে লালকমল

©জয়ী

‘A Walk to Remember’ in Calcutta

“I am the man with the tambourine…”

It was a steamy summer night. The humidity level reached a new high and Calcutta was all wet in sweats. Everyone was praying for rain.
Suddenly I got a call from Esha. She is my childhood friend and my friend Asmit’s fiancé. When she said, “Let’s go for a walk” I was quite surprised.

“Is he busy? Or you guys had a quarrel once again?”

“We called it quits” She chirped.

“How dare you?” I was astonished!

“Just for tonight, let’s forget that I have a boyfriend, let’s forget that you just broke up with Emilie; let’s forget the outer world and chat like there is no tomorrow…as we used to…before this Asmit thing happened.” I used to know her crazy nature, so I had to agree. I came out from my ‘uncle’s cabin’ and she came out from her ladies’ hostel.

We didn’t go for sophisticated ice cream cones or tubs decorated with chocolate bars and Oreo biscuits. We simply slurped our desi “Kulfi malai” and it was truly my own ‘A Walk to Remember.’

“You are still a mental.” said I.

“You must appreciate me for being a mental.” she chuckled.

And we talked and talked; we gazed and gazed at each other with a smile on lips and glitter in eyes. I saw the city lights less lucrative than her eyes. For once, I forgot she was not mine.

She described how she loved watching the sunsets and blowing the dandelions, how she adored Chinese cuisine, how she took weeds to get rid of frustration, how she watched clichéd romantic Hollywood movies to believe in love, how she matched the steps with a Latino dance teacher, how she spent nights reading Paulo Coelho, how she spent days reading erotica, how she spent nights at Park Street bars, how she met a handsome Irishman at the Irish pub, how she tried to make a documentary on Armenian culture of Calcutta, how she rode bike in full speed and how she kept her boyfriends totally unaware of these.

I felt she is a silent scream; I felt her really addictive. I didn’t want her stories to end.

“Thanks for sharing things with me” I greeted.

“And you didn’t interrupt a single time.” She poked my nose.

I poked her belly, “One should not interrupt the storyteller.”

“The kulfi is tasty, isn’t it?” She chuckled and I came back to reality; I saw my kulfi has already melted a lot and I forgot to slurp.

“Now it’s your turn”

“My turn? No way”

“Yes…you have to.”

She pleaded like anything but I didn’t agree. I just loved to look at her without a blink and she twittered the whole time. I was flooded with emotions and words. Before leaving, she gave me a ‘goodnight peck’ on the cheek. I was happy and startled!

“You are not mine, but I’m a bit yours today!” I murmured myself and returned home.

©Joyee

A letter to the guy who doesn’t return home

To the guy who doesn’t return home at night,

You are the typical bad boy. You return home if you wish, you don’t if you don’t feel like returning. The world thinks you have gone nuts, you have nothing to achieve, nothing to accomplish, nothing to look after. Actually they think, you will not listen anything, will not take anything seriously and do anything properly. So they easily jump into a conclusion that you are a bad boy!
Believe me, I do get you. A pros, a drink, a puff, a party, a crime…whatever engages you at night, is actually a hallucination to keep you away from reality; and you are weak enough to fall prey to it. A hallucination becomes your fad when reality tears you apart over and over. There might be a storm inside you, there might be rainstorms or sunshower or something very poignant trying to come out of you. But you don’t realise it, sadly. So, you make yourself believe in cheap pleasures…a bottle of rum, a porn, a street prostitute, a powder roll, women, smuggling, gambling or whatever exists in the world. These things only intensify your senses and you go away from dream, love, sunshine and soul. You forget to look inside, you forget to show your soul, forget to appreciate little joys of nature. Then, one fine day, the real you dies to the drugs, to the crime, to the humanity. You stop feeling for home, for mom.
I do believe in your past. You once were most softhearted, soft-spoken human alive in the world. But I do trust you. I know, there is still a person, a child inside your dusky heart who tremendously needs love. I know you will enjoy the sunset more than dark smokey nights. I know you will enjoy the bright days more than the gloomy drug-stained nights and lipstick-stained shirts. You just need to believe, you are a good boy…you’re just a good boy with bad thoughts and worst past. You have to believe that life is new as day and old as time. You have to look beyond your hallucination. If you look beyond, you will see the melting sunshine, it has nothing to do with alcohol or your idea of enjoyment. Life is a love letter long enough to beat the paper rolls which carry powdered drugs.

Yours,
A person who understands your pain.

©Joyee

Diary of a jerk

Diary of a jerk:

The crazy winds grazed my face adorably, the first ray of the morning sun invaded my eyes and some morning birds kept chirping. On such a cloudy morning I discovered myself in bed with my ex. I opened my doped eyes and felt like I was just dropped from the sky! It is a very natural feeling when you wake up after long. And I slept like eternity! Slowly the memories of yesterday evening along with the steamy night came before my eyes and I sighed. I searched for the packet of cigarette and her solemn face caught my eyes. Once again her sweet face made me forget what I was searching or what I was thinking.
I looked at the walls; the tiny bulbs are still twinkling. The windowpane is also glittering, bedecked with tiny raindrops. The posters laughed at me. And I looked at her sleeping face. I gazed as if she is the sleeping princess and I am the prince charming to wake her up! Her lunar tattoo on neck greeted me a good morning. Slowly, my eyes rolled into the room, the floor…the paper rolls are still scattered, the empty bottles are lazing away the time. They too probably are quite surprised seeing us together.
I remembered how I met her last night, how she was crying, how I took her home…my home! I remembered how we powdered our noses and drank hard liquor as if there is no tomorrow. And then, like two highly reacting chemicals, we mixed up in bed. Thunders were deafening, lightning was loud and it rained torrentially. We both bafflingly tried to invade and console each other. I wonder how I am still alive after taking so many drugs together!

©Joyee